চাঁপা আপু

আমার মেজ বোনের বাসাতে বেড়াতে যাচ্ছি। ওর গায়ের রংএর কারণে ছোট থেকেই ওকে চাঁপাবু আবার কখনো বুবু বা আপু বলেও ডাকি। ও আমার চাইতে ৬/৭ বছরের বড়। বয়সের পার্থক্য থাকলেও আমাদের দুজনের মধ্যে খুবই মিল। দুজনে দুজনের পিছনে লেগে থাকতাম। কোনো একটা জিনিস নিয়ে ঝগড়া করতাম, আবার সাথে সাথে মিলও হয়ে যেতো। আমার বয়স এখন ২৪/২৫আর চাঁপাবুর প্রায় ৩০/৩২ বছর। আমি যখন ক্লাস এইটে পড়ি তখন চাঁপাবু ডিগ্রীর ছাত্রী। সেই সময় আমাদের মধ্যে চুদা চুদির সম্পর্ক তৈরী হয়। তারপর থেকে সেটা আর বন্ধ হয়নি। আসলে কেউ বন্ধ করার চেষ্টাও করিনি। কারণ দুজনেই আমরা চুদাচুদি করে খুবই আনন্দ আর মজা পাই। তাহলে অনেক বছর পূর্বে ঘটেযাওয়া গল্পটা আপনাদেরকে বলি……….
ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার পরেই চাঁপাবুর বিয়ে হয় বিদেশী ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধির সাথে। কর্মস্থল, উত্তর বঙ্গের একটা জেলা শহর। চাঁপাবুর ডিগ্রী পরীক্ষার ৩/৪ মাস আগে দুলাভাইকে খুলনাতে প্রমোশন দিয়ে বদলী করা হয়। সেই কারণে চাঁপাবুর তখন খুলনা যাওয়া হয় না। প্রথমে কিছুদিন চাঁপাবুর শাশুরী ওর সাথে থাকে। এর পরে স্কুলে সামার ভ্যাকেসনের সময় আমি গিয়ে চাঁপাবুর সাথে থাকি। আমার শরীরে তখন যৌবনের বাতাস লেগেছে। শরীরের বিশেষ পরিবর্তন ও চাহিদা মাথা চাঁড়া দিচ্ছে। মেয়েদেও বুক ও পাছার দিকে তাকাতে ভালো লাগে। হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই হোল খাড়া হয়ে যায়। তখন হোল নাড়তে খুব ভাল লাগে। নাড়ার সময় হোলের ফুটা দিয়ে এক ধরনের আঠালো পিচ্ছিল রস বাহির হয়। এসময় হোল খুবই টন টন করে। বীর্যপাত তখনো হয়নি। বীর্যপাত কি সেটাও ভালভাবে বুঝতাম না। শুধু এটা জানতাম যে, ছেলেদের ধাতু বাহির হয়। প্রায়ই ঘুম থেকে উঠে লুঙ্গীতে মানচিত্র দেখতে পাই আর ধোনের মাথা আঠা আঠা হয়ে থাকে। চাঁপাবু যখন কাপড় চেঞ্জ করে তখন লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে ভালো লাগে। ওর পাছা আর বুকের দিকে চোখ চলে যায়। শরীরে অন্য রকম পুলক অনুভব করি। চাঁপাবুরও হুঁশ কম ছিলো। বুকের আঁচল ঠিক থাকতো না। ওড়না গায়ে দিতোনা। আমার দিকে পিছন ফিরেই শাড়ী, জামা পড়তো, খুলতো। ব্রা পেটিকোট বা পায়জামা পড়েই বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে জামা/শাড়ী পড়তো। আপুর দুধ দুইটা ছোট হলেও খুব সন্দর। এসব দেখে আমার হোল একবার খাড়া হলে আর সহজে নামতে চাইতো না। একদিন চাঁপাবু গোসল করছে আর আমি রেডিওতে বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শুনছি। চাঁপাবুর গলা শুনতে পাই। ‘টুকু আলনা থেকে আমার গেঞ্জিটা দেতো ভাই’। আলনা হাতড়ে ওর গেঞ্জি কোনটা সেটা বুঝতে না পেরে বলি- ‘বুবু তোমার গেঞ্জি কোনটা আমি বুঝতে পারছি না’। ‘আলনার পিছনে দেখ, আমার কামিজের নিচে একটা কালো রঙের বডিস আছে, সেটা দে’। তখন বুবু সেটাকে ব্রা না বলে বডিসই বলতো। চাঁপাবু বাথরুমের দরজা ফাঁক করে হাত বাহির করে। আমি বডিসটা ওর হাতে দেই। ওটা দেয়ার সময় দরজার ফাঁকদিয়ে চাঁপাবুর একটা দুধের কিছু অংশ এক ঝলক দেখতে পাই। বুবুর বডিস (ব্রেসিয়ার) হাতে নিয়ে আমি এক ধরনের পুলক অনুভব করলাম। দেই সাথে চাঁপাবুর স্তন দেখে আমার সমস্থ শরীর শিরশির করে উঠলো। ধোন সাথে সাথে খাড়া হয়ে গেল। পরে লুকিয়ে লুকিয়ে চাঁপাবুর ভেজা ব্রা নাড়াচড়া করলাম, নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুকলাম। চোখের সামনে যেন সব সময় চাঁপাবুর নগ্ন স্তন দেখতে পাই। ওহ ! কি যে মজা আর শরীরের উত্তেজনা- সেটা বলে বুঝানো যাবে না।
সেদিন রাতে চাঁপাবু ঘুমিয়ে গেলে পাশের ঘর থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে ওকে দেখলাম। চাঁপাবু চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। ফ্যানের বাতাসে হাঁটু ও বুকের উপর থেকে শাড়ী সরে গেছে। পাতলা ব্লাউজের উপর দিয়েও বুবুর সুন্দর দুধ দুইটা স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে। হাঁটুর অনেক উপর পর্যন্তও পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি। ওহ, কি সুন্দর চাঁপা ফুলের মতো গায়ের রং বুবুর। রান দুইটাও খুবই সুন্দর। আমি চাঁপাবুকে দেখছি আর ধোন নাড়ছি। ধোনের মাথা দিয়ে রস বাহির হচ্ছে। এভাবে দেখতে দেখতে আরো দুইটা দিন চলে গেল। এরপরে এলো সেই মধুর রাত।
খওয়া দাওয়ার পরে রাতে শুয়ে রেডি চালিয়ে গান শুনছি। হঠাৎ শুরু হলো ঝড় আর বৃষ্টি সাথে মেঘের প্রচন্ড গর্জন। কারেন্টও চলে গেল। চাঁপাবু মেঘের গর্জন ও অন্ধকারকে খুবই ভয় পায়। অবশ্য আমারো খুব ভয় লাগছিলো। বুবু বালিশ নিয়ে সাথে সাথে আমার বিছানাতে চলে আসলো। সিঙ্গেল বিছানায় আমরা দুই ভাইবোন গায়ে গা লাগিয়ে কোনো রকমে শুয়ে আছি। বাহিরে ঝড়ের তান্ডব চলছে আর আমার শরীরেও তখন অন্য রকমের ঝড় উঠেছে। চোখের সামনে চাঁপাবুর ব্রা, নগ্ন স্তন আর সুন্দর রান দেখতে পাচ্ছি। আমার হোল খাড়া হয়ে গেছে, সাথে রস বাহির হচ্ছে সেটাও বুঝতে পাচ্ছি। এখন কোনো ভাবে যদি আমার ধোনে বুবুর হাত লাগে তাহলে লজ্জার শেষ থাকবেনা। ভাগ্যিস অন্ধকারে বুবু কিছুই দেখতে পাচ্ছে না। ধরা পড়ার ভয়ে আমি কাত হয়ে শুলাম। চাঁপাবু একবার আমাকে ডাকলো। কিন্তু আমি সাড়া দিলাম না। ভাব করছি যেন ঘুমিয়ে পড়েছি।
এক সময় চাঁপাবুও কাত হয়ে শুলো। ছোট বিছানাতে খুবই চাপাচাপি করে দুজনে শুয়ে আছি। আমার পিঠে বুবুর দুধের চাপ টের পাচ্ছি। বুবু আমার শরীরের উপর দিয়ে ডান হাত তুলে দিলো। আমার হোল আরো শক্ত হয়ে টন টন করছে। চাঁপাবুর হাত মাঝে মাঝে নড়াচড়া করছে। ওর হাত একবার আমার খাড়া হোল স্পর্শ করে গেল। একটু পরে আরো একবার, তারপরে আবার। এরপরে চাঁপাবু হাতের মুঠিতে লুঙ্গীর উপর দিয়ে আলতো করে আমার ধোনটা চেপে ধরলো। আমার শরীর, কান, মাথা দিয়ে গরম বাহির হচ্ছে। বুবু এবার আমার গায়ে পা তুলে দিয়ে আরো কাছে সরে আসলো। আমার ঘাড়ে বুবুর গরম নিঃশ্বাস পড়ছে। বুবু মুঠিতে ধোনটা ধরে আস্তে আস্তে চাপ দিচ্ছে আর আমার পাছাতে ওর গুদ ঘষছে। আমার খুব ভালো লাগছে। হোল নাড়ার ফলে আমার লুঙ্গীর গিট খুলে গেল। চাঁপাবু এবার লুঙ্গী নামিয়ে দিয়ে সরাসরি আমার হোল মুঠিতে নিয়ে জোরে জোরে টিপাটিপি করতে লাগল। চাঁপাবু হোল কচলাচ্ছে আর ধোন দিয়ে গল গল করে রস বাহির হচ্ছে। রসে রসে ধোনটা পিছলা হওয়াতে বুবুর হাতের কচলানী আরো ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে বুবু আরো কচলাক, ধোনটাকে আরো জোরে জোরে কচলাক। বুবু আমার ধোন খিঁচতে আরম্ভ করল। এক সময় মনে হলো ধোনটা ফেটে যাবে। এরপরে হঠাৎই আমার শরীর মোচড় দিয়ে উঠলো। সমস্থ শরীর, বিশেষ করে দুই পা টানটান হয়ে গেল। চাঁপাবুর হাতের মুঠিতে ধোনটা কেঁপে কেঁপে উঠলো, তারপরে ধোনের ভিতর থেকে ঝলক দিয়ে দিয়ে মাল বাহির হতে লাগলো। নিজের অজান্তেই আমার মুখ দিয়ে ওহ ওহ ওহ আহ আহ শব্দ বাহির হলো। আর চাঁপাবু আরো জোরে জোরে আমার পাছাতে গুদ ঘষতে ঘষতে হোল কচলাতে থাকলো। চাঁপাবুর হাতের মুঠিতে জীবনে প্রথম বারের মতো আমার বীর্যপাত হলো। প্রথম বারের বীর্যপাতের আনন্দ আসলেই তুলনাহীন।
চাঁপাবু একটু পরে উঠে চলে গেল। আমিও পেসাব করে এসে শুয়ে পড়লাম। ইতি মধ্যে ঝড় থেমে গিয়েছে তবে মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। আমার এখন খুব লজ্জা লাগছে। ভাবছি সকালে চাঁপাবুকে কি করে মুখ দেখাবো ? এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম। সকালে লজ্জা নিয়েই নাস্তা করলাম। লজ্জায় চোখ তুলে আপুর মুখের দিকে তাকাতে পারছিনা। কিন্তু বুঝতে পারছি আপু মাঝে মাঝেই মিটি মিটি হাসছে। গোসল করার দরকার, কারণ রাতের লুঙ্গীটাই পড়ে আছি। বাথরুমে ঢুকলাম। হঠাৎ চাঁপাবুর গলা, ‘টুকু দরজাটা একটু খুলতো ভাই’। দরজা খুলতেই আপু ভিতরে ঢুকে বলে, ‘তুই গোসল কর, আমি তোর বিছানার চাদরটা ধুয়ে দেই’। কাল রাতে চাদরে আমার মাল পড়েছিলো। আপু চাদর কাচতে কাচতে আমার দিকে পিছন ফিরে ওর শাড়ী খুলে ফেলে। ও এখন শুধু ব্লাউজ ও পেটিকোট পড়ে আছে। এটা দেখে আমি আবারও উত্তেজিত হই। সাথে সাথেই হোল খাড়া হয়ে যায়। ভেজা লুঙ্গীর উপর দিয়েও সেটা স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। এবার আমাকে হতভম্ব করে দিয়ে চাঁপাবু বলে, ‘টুকু তোর লুঙ্গীটা খুলে দে, আমি কেচে দেই’। আমি লজ্জায় কিছু বলতে পারি না। আপু টান দিয়ে আমার লুঙ্গী খুলে নিয়ে বলে, ‘পিচ্চি চ্যাংড়া, আমার কাছে তোর কিসের লজ্জা’? খুব বড় হয়ে গেছিস তাই না ! আমি হোল খাড়া করে ন্যাংটা হয়ে আপুর সামনে দাড়িয়ে আছি। আপু অবাক হয়ে আমার হোলের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘এই বয়সে তোর ধোন এত্ত বড় কেনরে’? তুই কি হাত মারিস? জবাবে আমি মাথা নাড়ি। চাঁপাবু আবার বলে, ‘তুই কি প্রতি দিন মাল বাহির করিস’? আমি মাথা নিচু করে বলি, ‘কাল রাতেই প্রথম বাহির হয়েছে’। ‘ওওও’ এই শব্দ করে আপু আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপরে খিল খিল করে হাসতে শুরু করে। হাসি থামিয়ে দুই হাতে আমার ধোন টিপতে টিপতে বলে,‘বয়স অনুযায়ী তোর ধোনটা অনেক বড় আর মোটা। বয়স হলে তোর এটাতো অশ্বলিঙ্গ হয়ে যাবে ! তাই বলে যখন তখন হাত মেরে মাল বাহির করবি না। তাহলে আগা মোটা আর গোড়া চিকণ হয়ে যাবে’। এইসব বলতে বলতে চাঁপাবু আমাকে অবাক করে দিয়ে হোলের মাথাতে চুমা খায়। হোলের মুন্ডির চারধারে জিভ দিয়ে চাঁটতে লাগে। মুন্ডিতে হালকা কামড় দিয়ে মুন্ডির ফুটাতে জিভের ডগা দিয়ে শুড়শুড়ি দেয়। ধোনের ফুটা দিয়ে আবার রস বাহির হতে থাকে। চাঁপাবু আঙ্গুল দিয়ে মুন্ডিটা চিপে রস বাহির করে সেটাও জিভ দিয়ে চেঁটে খায়। আমি অবাক হয়ে দেখি। তারপরে আপু আমার পায়ের কাছে বসে ধোনের মুন্ডিটা সম্পূর্ণ মুখের মধ্যে নিয়ে চুষতে লাগে। মুন্ডি চুষতে চুষতে ধোনটা আরো অনেকখানি মুখের ভিতরে টেনে নেয়। এরপরে আমার কোমড় জড়িয়ে ধরে মজাসে চুক চুক করে চুষতে থাকে। চুষতে চুষতে ধোনটা মুখ থেকে বাহির করে, তারপরে আবারো মুখের মধ্যে নিয়ে চুষতে থাকে। একটু থেমে দাঁত দিয়ে হোল কামড়ে ধরে, তারপরে আবারো জোরে চোষন দেয়। চাঁপাবুর চোষনের ঠেলায় আমার হোলের মুন্ডি চনমন করে উঠে। আমি বেশিক্ষণ সহ্য করতে পারি না। ধোনটা কেঁপে কেঁপে উঠে। আমি আপুর মুখের মধ্যেই মাল ছেড়ে দেই। মুখের ভিতরে ঝলক দিয়ে দিয়ে মাল বাহির হতে থাকে। চাঁপাবু দুহাতে আমার কোমড় জাপটে ধরে আরো জোরে জোরে হোল চুষতে থাকে। আমি কোমড় বাঁকা করে দুহাতে আপুর মাথা আমার হোলের উপরে চেপে ধরি। আপু খুব সহজ ভাবেই আমার সব মাল মুখের মধ্যে নিয়ে নেয়। মাল মুখের ভিতরে নেয়া যায় সেটা এই প্রথম জানলাম। গত রাতে দেখতে পাইনি আর এবারেও আমার মালের চেহারা দেখা হলো না।
দুপুরে খেয়ে দেয়ে দুজনেই একটানা ঘুমালাম। বিকালে আপু আমাকে বাজারে নিয়ে গিয়ে জিনসের প্যান্ট ও গেঞ্জি কিনে দিলো। নিজের জন্য একটা সেন্ট কিনলো। রাতে পোলাও মাংস রান্না হলো। দুজনে গল্প করতে করতে মজা করে খেলাম। এর মাঝে চাঁপাবু একবারও গত রাতের বা আজ গোসলের ঘটনা নিয়ে কিছু বললো না। খাওয়া দাওয়ার পরে চাঁপাবু খুব সুন্দর করে সাজলো। চাঁপাবু সাজতে খুব ভালোও বাসে। এখন আপু লালপড়ি সেজেছে। লাল পেটিকোট, লাল হাতকাটা ব্লাউজ সাথে লাল সিলকের শাড়ী। শাড়ী ও ব্লাউজ এতই পাতলা যে, সব কিছু এমন কি আপুর ব্রেসিয়ারও দেখা যাচ্ছে। আপুর বিছানাতে বসে টিভি দেখছি। টিভি দেখতে দেখতে আপু আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে। আমার দৃষ্টি বারে বারে ওর দুধের দিকে চলে যাচ্ছে। ছোট ব্লাউজের কারণে দুধের অনেকখানি দেখতে পাচ্ছি। ফলে আমার শরীর আবার গরম হয়ে উঠছে। আপুর মাথার নিচে আমার হোল আবার খাড়া হয়ে গেছে। আপু বুঝতে পারলেও কিছু বলছে না। দু হাতে আমার আঙ্গুল নিয়ে খেলতে খেলতে চাঁপাবু বলে,‘ এই টুকু আমাদের এই সব কথা কিন্তু কাউকে বলিসনা। তোর সাথে একটু মজা করলাম আরকি’। আমি বলি,‘আচ্ছা বলবো না’। ‘তোর দুলাভাই আর আমাদের বাসাতেও যেন কেউ না জানে। এমনকি তোর কোনো বন্ধুকেও বলিসনা’। আমি বলি, ‘ঠিক আছে কাউকেই বলবোনা’। আপু বলে ‘তাহলে তুই আমার মাথা ছুয়ে তিন সত্যি বল’। আমি বলি, ‘তিন সত্যি, কাউকে কোনোদিনও কিছু বলবো না’।
নাটকের একটা সিন দেখে আমরা দুজনেই হাসছি। হাসতে হাসতেই চাঁপাবু আমার একটা হাত ওর বুকের উপরে চেপে ধরে জানতে চায়, ‘টুকু সত্যি করে বলতো, তোর এই সব মজা করতে ভালো লাগছিলো’ ? আমি চুপকরে থাকি। আপু আবার জানতে চায়, ‘রাতে আর গোসলের সময় যা করেছি তোর মজা লাগেনি’ ? আমি এবারে বলি, ‘খুব মজা লেগেছে আপু’। আমার হাতটা আপু ওর দুধের উপরে চেপে ধরেই আছে। চাঁপাবু হঠাৎই আমার দিকে ঘুড়ে বসে। বুকের উপর থেকে আঁচল বিছানাতে খসে পড়েছে। হাতকাটা ব্লাউজের ভিতরে চাঁপাবুর সুন্দর দুধ দুইটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আপু এক ধাক্কায় আমাকে চিৎ করে শুইয়ে দিয়ে বলে, ‘আয় তোকে কিস করা শিখাই’। চাঁপাবু আমার ঠোঁটে চুমা খায়। ঠোঁট দুইটা চুষতে চুষতে আমার মুখের মধ্যে ওর জিভ ঢুকিয়ে দেয়। আবার অনেক্ষণ ধরে ঠোঁট চুষে। একটু পরে নিজের অজান্তেই আমি চাঁপাবুকে জড়িয়ে ধরে ওর জিভ চুষতে লাগি। চাঁপাবুর মুখের মধ্যেও যে এতো মজা আছে তা এই প্রথম জানলাম। আমিও ওর মুখের মধ্যে জিভ ভরে দিলাম। এবার চাঁপাবুও আমার জিভ চুষে দেয়। কানের কাছে ফিস ফিস করে বলে,‘আজ সারা রাত তোর সাথে আরো অনেক অনেক মজা করবো। তোকে অনেক কিছু শেখাবো। তোকে আদর করতে আমার খুব ভালো লাগছে’। এসব বলতে বলতে চাঁপাবু উঠে দাঁড়িয়ে কয়েক টানে শাড়ি, ব্লাউজ ও ব্রা খুলে মেঝেতে ছুঁড়ে দেয়। আপুর দুধ দুইটা লাফ দিয়ে বেরিয়ে আসে। ওহ ! চাঁপাবুর দুধ দুইটা এত্তো সুন্দর। খয়েরী রঙের বোঁটা সহ ছোট ছোট দুধ দুইটা একদম খাড়া হয়ে আছে। অল্প অল্প দুলছে। ‘আপু তোমার দুধ দুইটা খুব সুন্দর, একটু ধরি’ -আমি বলি। আপু বলে, ‘ধরনা ধর’। আমি একটা দুধ দুই হাতের মুঠিতে ধরে আস্তে আস্তে টিপতে লাগি। ‘তোর ভাল লাগছে, ভাই ? আপু জানতে চায়। ‘তোমার দুধটা কি নরম, টিপতে আমার খুব ভাল লাগছে’। আপু বলে,‘ দুধের বোঁটা চুষ তাহলে আরো ভালো লাগবে’। ‘আপু তোমার ভালো লাগছে’ ? চাঁপাবু বলে, ‘আমারও খুব ভালো লাগছে। দুধ চুষলে সব মেয়েরই ভালো লাগে’। এভাবে কিছু সময় দুধ চোষানর পরে আপু আমার উপরে শুয়ে আবার চুমা খেতে থাকে। চুমা খেতে খেতে আমাকে নিয়ে উঠে বসে। গালে, কপালে চপাত চপাত করে চুমা খায়। তারপরে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর মতো করে আমার মুখে একটা দুধের বোঁটা ভরে দেয়। আমি দুধের বোঁটা চুষতে লাগি। দুধ চোষার সাথে সাথে আমি চাঁপাবুর অন্য দুধ টিপতে থাকি। আহ কি মজা। আপু একবার এই দুধ আরেকবার অন্য দুধ চুষতে দেয়। আমি কখনো জোরে জোরে, আবার কখনো আস্তে আস্তে দুধ চুষছি আর টিপছি। চাঁপাবু আনন্দে মাঝে মাঝে আমার মাথা ওর দুধের সাথে চেপে ধরছে। আমি তখন জোরে জোরে দুধ চুষছি। বুঝতে পারছি দুধ চোষাতে আপুর খুব ভালো লাগছে।
এরপর চাঁপাবু লুঙ্গী খুলে আমাকে ন্যাংটা করে শুইয়ে দেয়। আমার হোল তাল গাছের মতো খাড়া হয়ে আছে। আপু এবার আমার দুই পায়ের ফাঁকে শুয়ে হোল চুষতে লাগে। চাঁপাবু ঠিক লজেন্সের মতো করে আমার ধোন চুষছে। যেন ললিপপ খাচ্ছে। ধোন চুষতে চুষতে চাঁপাবু জানতে চায়, ‘সোনা ভাই তোর কি এখনি মাল বাহির হবে’ ? আমি বলি,‘না না । তুমি ভালো করে চুষো’। আপু এবারে প্রবল উৎসাহে ধোন চুষতে লাগে। ধোন চুষার তালে তালে আমিও চাঁপাবুর মুখে ধোন চেপে চেপে ধরছি। ওর গলার ভিতর পর্যন্ত আমার ধোন চলে যাচ্ছে। ধোন চুষতে চুষতে আপু খুব উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আপু এবার আরেকটা নতুন মজার খেলা শুরু করে।
চাঁপাবু দাঁড়িয়ে পেটিকোট খুলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়। আমার চোখের সামনে আপুর ফোলা ফোলা গুদ। গুদের আশপাশে খুবই হালকা খোঁচা খোঁচা সোনালী রঙের বাল। আমার দেখতে খুবই ভালো লাগছে। গুদের মুখ ভেজা ভেজা হয়ে আছে। আমি উঠে বসে আপুর গুদে হাত দেই। ফোলা ফোলা গুদের ঠোঁট পাঁচ আঙ্গুলে টিপতে লাগি। নরম তুলতুলে ঠোঁট দুইটা টিপতে খুবই মজা লাগছে। চাঁপাবু আমার মুখ ওর সোনালী গুদে চেপে ধরে বলে, ‘লক্ষি ভাই,আমার সোনাতে একটু কামড় দে’। আমি দাঁত দিয়ে আপুর রসালো গুদ কামড়ে ধরি, জিভা দিয়ে শুড়শুড়ি দেই তারপরে কামড়িয়ে কামড়িয়ে চাঁটতে থাকি। বুবুর গুদের ভিতর থেকে কড়া স্বাদের রস বাহির হতে থাকে। চাঁপাবু আমার মাথা ওর গুদের সাথে আরো জোরে চেপে ধরে বলে, ‘তোর দুলাভাই এক দিনও আমার গুদ চাঁটেনি। গুদ চাঁটাতে এতোওওও…মজা। ভালো করে চাঁট। সোনা ভাই, বুবুর গুদ চাঁটতে তোর কেমন লাগছে’ ? আমি মুখে কিছু না বলে আরো জোরে জোরে গুদ চাঁটতে থাকি। চাঁপাবুর গুদের আঠালো রসে আমার মুখ মাখামাখি হয়ে যায়। চাঁপাবু সহ্য করতে না পেরে আমাকে চিৎ করে শুইয়ে দেয়। ও আমার ধোনের কাছে শরীরের দু পাশে দুই পা দিয়ে গুদ উঁচু করে বসে। তারপরে আমার হোল ধরে মুন্ডিটা ওর গুদের মুখে ঠেকিয়ে কয়েকবার ঘষে, তারপরে আস্তে করে চাপ দেয়। হোলের মুন্ডি ফুচুত করে গুদের ভিতরে ঢুকে যায়। আমার শরীর শিরশির কওে উঠে। চাঁপাবু এবারে আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে আমার সম্পূর্ণ হোল ওর গুদের মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়। তারপরে আমার উপরে ব্যাঙের মতো উপুড় হয়ে শুয়ে চুদতে লাগে। আপু কোমড়, পাছা উপরে উঠাচ্ছে আর নামাচ্ছে। গুদ উঁচু করে হোলটা বাহির করছে আবার ঢুকাচ্ছে। আমি আপুকে জড়িয়ে ধরে আছি। আপু আমাকে আদর করছে, চুমা খাচ্ছে আর চুদছে। একটু থেমে আদর করছে তারপরে আবার চুদছে। আমার হোল আপুর গুদে ঢুকছে আর বাহির হচ্ছে। আপুর কোমড়ের উঠা নামার গতি আস্তে আস্তে বাড়ছে। এক সময় আপু মুখ দিয়ে বিচিত্র রকমের শব্দ করতে করতে আমাকে প্রচন্ড শক্তিতে চুদতে লাগলো। আমার ধোন চাঁপাবুর গুদের ভিতরে বারে বারে ঘষা খাচ্ছে। আপুর দুধ দুইটা আমার বুকে লেপটে আছে। এতে আমার শরীরেও আগুন ধরে গেল। আমার ধোনটাও আপুর গুদের ভিতরে ঘষা খেয়ে খেয়ে জ্বলে উঠলো। আমি সহ্য করতে না পেরে জড়িয়ে ধরে আপুর গুদের ভিতরে মাল ঢেলে দিলাম। ওর গুদের ভিতরে আমার ধোনটা ফুলে ফুলে উঠে মাল খালাস করলো। আপু উপর থেকে আরো কয়েকবার জোরে জোরে গুদের ধাক্কা দিলো তারপরে শরীরের সমস্থ শক্তি দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আমার দুহাতের মধ্যে আপুর শরীর অনেক্ষণ ধরে কাঁপতে থাকলো। আমার হোলেও আপুর গুদের কাঁপন টের পেলাম।
আপু পরম তৃপ্তিতে আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে। আমি এখনও আমার শরীরে এক অন্য রকমের পুলক অনুভব করছি। সেই রাতে আমরা আরও একবার চুদাচুদি করেছিলাম। সেইযে শুরুহলো তারপর থেকে আমাদের দুই ভাই বোনের চুদাচুদি চলছে।

Aside | This entry was posted in আপু, ইনসেক্ট, ছোট ভাই. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s